আল্লাহ সুবাহুনাতালাহর সাহায্য পার্থী

জাতিসংঘের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, যুক্তরাষ্ট্র উগ্র ইসলামী সন্ত্রাস বন্ধ করবে’

কিন্তু ৪২ মিনিটের ভাষণে বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর কথা এক বারের জন্যও বলেনি।

হে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ সুবাহুনাতালাহ আমরা তো তোমার দিকে তাকিয়ে আছি। তোমার পাক সত্তার কসম আমরা তোমার রহমত আর দয়া থেকে নিরাশ হয় নি। হে আমাদের দয়াময় মহান প্রতিপালক তুমি রোহিঙ্গা সহ সার বিশ্বের সকল মুসলমানদেরকে আশ্রয়, নিরাপত্তা আর আধিপত্য দান কর। আমিন।

“মাদ্রাসার বই থেকে বাদ জিহাদের পাঠ”

“মাদ্রাসার বই থেকে বাদ জিহাদের পাঠ”

(যুগান্তর, ১৮/০৯/২০১৭ শেষ পৃষ্ঠা) বর্তমান সমাজের সুশীল সমাজ আর বুদ্ধিজীবিদের কারবার দেখলে হাসি পায়। জঙ্গিবাদ দূর করার জন্য মাদ্রসার বই থেকে জিহাদের পাঠ বাদ দিছে। আচ্ছা এতে জঙ্গিবাদ বাড়বে না কমবে? একজন ছাত্র যখন কোরআন ও হাদিসের আলোকে সত্যি কারের জিহাদ সর্ম্পকে না জানবে তখন তাকে জঙ্গিরা খুব সহজে জঙ্গিবাদের দীক্ষা দিতে পারবে? এতে জঙ্গিবাদ বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। আর সেই ছাত্র যখন কোরআন ও হাদিসের আলোকে সত্যিকারের জিহাদ সর্ম্পকে জানবে তখন তাকে আর জঙ্গি বানাতে পারবে না। তাই সরকারকে বলব স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, জাতীয় ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কোরআনুল কারীম ও হাদিসের আলোকে জিহাদের পাঠ বাধ্যতামূলক করা হক। তবেই জঙ্গিবাদ দূর হবে এছাড়া আপনারা যতই বাড়াবাড়ি করেন কোন লাভ নাই।

কোরআনুল কারীম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

“যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ (আল-কোরআন) দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার চেয়ে জালেম আর কে? আমি জালেমদের কে শাস্তি দিব। (সূরা-সেজদাহ: ২২)

প্রথম যখন এ আয়াত শুনেছিলাম/পড়েছিলাম তখন ভাবতাম কোন মুসলমান এমন হতে পারে না, যা কে কোরআনের আয়াত দিয়ে বলার পরও নিজের হুজুর, দল, মত বাচাঁনোর জন্য মুখ ফিরিয়ে নিবে। কিন্তু বাস্তবে এখন দেখি, এমন মুসলমানের অভাব নাই। তাও আবার, দাড়ি, টুপি, পাঞ্জাবী, কোর্তা, জোব্বাওয়ালা, পরিপূর্ন পর্দাশীল মহিলা, পাঁচ ওয়াক্ত ও তাহাজ্জুদ পড়া নামাজি, কোরআনের হাফেজ/হাফেজা ইত্যাদি। আচ্ছা, এমন আমল দ্বারি ব্যক্তি কি কখনও মুসলমান হতে পারে?