Importance of education in Islam

Importance of education in Islam is immense. Islam must know about Islam before practicing religion. What is Islam? Why is Islam? The first word of the Qur’an is ‘Iqra’ means ‘Read’. Understand by this word `Read’ importance of education in Islam. I will discuss the importance of education in Islam only in the light of The Holy Quran and Hadith (InshaALLAH).

ALLAH says: “Say, `Are the blind equal with those who see? Or the depths of darkness equal with light? (Mujadala: 11)”

 

ALLAH also says: “Those of you who believe and who have been granted knowledge, ALLAH will increase their dignity. (Ra`d: 16)”

ALLAH`s Messenger (Sa.) said: “Seeking knowledge is a duty upon every Muslim. (Sunnane Ibne Majah: 224)”

Understand by this Hadith very importance of education in Islam.

ALLAH`s Messenger (Sa.) also said: “whoever follows a path in the pursuit of knowledge, ALLAH will make easy for him a path to paradise. The angels lower their wins approval of the seeker of knowledge, and everyone in the heavens and on earth prays for forgiveness for the seeker of knowledge, even the fish in the sea. The superiority of the scholar over the worshipper is like the superiority of the moon above all other heavenly bodies. The scholars are the heirs of the Prophets, for the Prophets did not leave behind a Dinar or Dirham, rather they left behind knowledge, so whoever takes it has taken a great share. (Sunnane Ibne Majah: 223)”

Narrated Munabiya: I heard The Messenger of ALLAH (Sa.) Saying, “If ALLAH wants to do good to a person, He makes him comprehend the religion.

No place for Ignorance in Islam. Islam teaches Message of Peace. Islam inspire our gain to knowledge both Dunia (Earth) and Akhirat (Paradise). So We should every Muslim gain to knowledge both Dunia (Earth) and Akhirat (Paradise) in the light of Quran and Hadith.

অসুস্থ অবস্থায় কোন বাক্যগুলি পাঠ করলে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাবেন?

*অসুস্থ অবস্থায় কোন বাক্যগুলি পাঠ করলে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাবেন?*
🍃🌟🍃🌟🍃🌟🍃

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) এবং আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তাঁরা উভয়েই রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রতি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তিনি বলেছেন,

*‘‘যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ [لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَاللهُ أكْبَرُ]* (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সবচেয়ে বড়) বলে, আল্লাহ তার সত্যায়ন করে বলেন, ‘আমি ছাড়া কোন (সত্য) উপাস্য নেই এবং আমি সবচেয়ে বড়।’

আর যখন সে বলে *‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারীকা লাহ’ [لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَحدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ]* (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই), তখন আল্লাহ বলেন, ‘আমি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, আমি একক, আমার কোন অংশী নেই।’

আর যখন সে বলে *‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লাহুল মুলকু অলাহুল হাম্দ’ [لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ]* (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, সার্বভৌম ক্ষমতা তাঁরই এবং তাঁরই যাবতীয় প্রশংসা), তখন আল্লাহ বলেন, ‘আমি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, সার্বভৌম ক্ষমতা আমারই এবং আমারই যাবতীয় প্রশংসা।’

আর যখন সে বলে, *‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, অলা হাওলা অলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ [لاَ إله إِلاَّ اللهُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ باللهِ]* (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন (সত্য) উপাস্য নেই এবং আল্লাহর প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার বা নড়া-চড়ার শক্তি নেই), তখন আল্লাহ বলেন, ‘আমি ছাড়া কোন (সত্য) উপাস্য নেই এবং আমার প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার বা নড়া-চড়ার শক্তি নেই।’

নবী (সাঃ) বলতেন, *‘‘যে ব্যক্তি তার অসুস্থ অবস্থায় এটি পড়ে মারা যাবে, জাহান্নামের আগুন তাকে খাবে না।’’ (অর্থাৎ সে কখনো জাহান্নামে যাবে না।)*

(সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত] – ৩৪৩০, দোয়া অধ্যায়)

ইসলাম, ঈমান, ইহসান কাকে বলে?

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) ও জীব্রিল (আঃ) এর মুখেই
জেনে নিন>>

১) ইসলাম কাকে বলে?
২) ঈমান কাকে বলে?
৩) ইহসান কাকে বলে?
৪) কিয়ামতের লক্ষণ কি?

عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلىَّ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ إِذْ طَلَعَ عَلَيْنَا رَجُلٌ
উমর ইবনু খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমাদের কাছে এসে হাযির হলো।
شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ شَدِيدُ سَوَادِ الشَّعَرِ لاَ يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ السَّفَرِ وَلاَ يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ حَتَّى جَلَسَ إِلَى النَّبِيِّ صَلىَّ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَسْنَدَ رُكْبَتَيْهِ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَوَضَعَ كَفَّيْهِ عَلَى فَخِذَيْهِ
তাঁর পরিধানের কাপড় ছিল সাদা ধবধবে, মাথার কেশ ছিল কুচকুচে কালো। তাঁর মধ্যে সফরের কোন চিহ্ন ছিল না। আমরা কেউ তাঁকে চিনি না। তিনি নিজের দুই হাঁটু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুই হাঁটুর সাথে লাগিয়ে বসে পড়লেন আর তার দুই হাত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুই উরুর উপর রাখলেন।
وَقَالَ يَا مُحَمَّدُ أَخْبِرْنِي عَنِ الإِسْلاَمِ‏
তারপর বললেন, হে মুহাম্মদ! ইসলাম সস্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।
‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلىَّ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন;
الإِسْلاَمُ أَنْ تَشْهَدَ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَتُقِيمَ الصَّلاَةَ وَتُؤْتِيَ الزَّكَاةَ وَتَصُومَ رَمَضَانَ وَتَحُجَّ الْبَيْتَ إِنِ اسْتَطَعْتَ إِلَيْهِ سَبِيلاً
ইসলাম হল; তুমি সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকার কোন ইলাহ নেই আর অবশ্যই মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রমাদ্বনের সিয়াম পালন করবে, বায়তুল্লাহ পৌঁছার সামর্থ্য থাকলে হাজ্জ করবে।
‏قَالَ صَدَقْتَ
তিনি (জিব্রীল আলাইহিস সালাম) বললেন, আপনি সত্য বলেছেন।
قَالَ فَأَخْبِرْنِي عَنِ الإِيمَانِ
তারপর তিনি বললেন, ঈমান সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।
قَالَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلاَئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ
‏ঈমান হল; তুমি বিশ্বাস করবে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফিরিশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাব সমূহের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি ও শেষ দিবসের (আখিরাতের) প্রতি এবং ভাগ্যের (তাক্বদীরের) ভাল মন্দের প্রতি বিশ্বাস করবে।
قَالَ صَدَقْتَ
তিনি (জিব্রীল আলাইহিস সালাম) বললেন, আপনি সত্য বলেছেন।
قَالَ فَأَخْبِرْنِي عَنِ الإِحْسَانِ
তারপর তিনি বললেন, ইহসান সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।
قَالَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ
ইহসান হলো; তুমি এমনভাবে ইবাদত করবে, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ, যদি তুমি তাকে না দেখ, তাহলে ভাববে তিনি তোমাকে দেখছেন।
‏ قَالَ فَأَخْبِرْنِي عَنِ السَّاعَةِ
তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, কিয়ামত সস্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।
قَالَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
مَا الْمَسْئُولُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنَ السَّائِلِ
এ বিষয়ে প্রশ্নকারীর চাইতে যাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তিনি অধিক অবহিত নন।
قَالَ فَأَخْبِرْنِي عَنْ أَمَارَتِهَا ‏
তিনি (জিব্রীল আলাইহিস সালাম) বললেন, তাহলে এর আলামত সস্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।
قَالَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
أَنْ تَلِدَ الأَمَةُ رَبَّتَهَا وَأَنْ تَرَى الْحُفَاةَ الْعُرَاةَ الْعَالَةَ رِعَاءَ الشَّاءِ يَتَطَاوَلُونَ فِي الْبُنْيَانِ
তা হলো; দাসী তার প্রভুর জননী হবে; আর নগ্নপদ, বিবস্ত্রদেহ দরিদ্র মেষ পালকদের বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে।
فَذَاكَ مِنْ أَشْرَاطِهَا فِي خَمْسٍ مِنَ الْغَيْبِ لاَ يَعْلَمُهُنَّ إِلاَّ اللَّهُ ثُمَّ قَرَأَ
এটি গায়েবের পাঁচটি বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত, যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানেন না। অতঃপর তিনি (এই আয়াত) তিলাওয়াত করলেন;
إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে আর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর তিনি জানেন জরায়ূতে যা আছে আর কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন স্থানে সে মারা যাবে; নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত। (লুকমান, ৩১/৩৪)
قَالَ ثُمَّ انْطَلَقَ فَلَبِثْتُ مَلِيًّا
তিনি (উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বললেন; অতঃপর আগন্তুক প্রস্থান করলেন। আমি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম।
ثُمَّ قَالَ لِي
তারপর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন;
‏يَا عُمَرُ أَتَدْرِي مَنِ السَّائِلُ
হে উমর! তুমি কি জান, প্রশ্নকারী কে?
قُلْتُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ
আমি আরয করলাম; আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভাল জানেন।
قَالَ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন;
‏ فَإِنَّهُ جِبْرِيلُ
তিনি জিব্রীল।
أَتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ دِينَكُمْ
তোমাদেরকে দীন শিক্ষা দিতে এসেছিলেন।
(সহীহুল বুখারী: হা/৫০, ৪৭৭৭; সহীহ মুসলিম: হা/১, ৫, ৭)

আল্লাহ সুবাহুনাতালাহর সাহায্য পার্থী

জাতিসংঘের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, যুক্তরাষ্ট্র উগ্র ইসলামী সন্ত্রাস বন্ধ করবে’

কিন্তু ৪২ মিনিটের ভাষণে বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর কথা এক বারের জন্যও বলেনি।

হে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ সুবাহুনাতালাহ আমরা তো তোমার দিকে তাকিয়ে আছি। তোমার পাক সত্তার কসম আমরা তোমার রহমত আর দয়া থেকে নিরাশ হয় নি। হে আমাদের দয়াময় মহান প্রতিপালক তুমি রোহিঙ্গা সহ সার বিশ্বের সকল মুসলমানদেরকে আশ্রয়, নিরাপত্তা আর আধিপত্য দান কর। আমিন।

“মাদ্রাসার বই থেকে বাদ জিহাদের পাঠ”

“মাদ্রাসার বই থেকে বাদ জিহাদের পাঠ”

(যুগান্তর, ১৮/০৯/২০১৭ শেষ পৃষ্ঠা) বর্তমান সমাজের সুশীল সমাজ আর বুদ্ধিজীবিদের কারবার দেখলে হাসি পায়। জঙ্গিবাদ দূর করার জন্য মাদ্রসার বই থেকে জিহাদের পাঠ বাদ দিছে। আচ্ছা এতে জঙ্গিবাদ বাড়বে না কমবে? একজন ছাত্র যখন কোরআন ও হাদিসের আলোকে সত্যি কারের জিহাদ সর্ম্পকে না জানবে তখন তাকে জঙ্গিরা খুব সহজে জঙ্গিবাদের দীক্ষা দিতে পারবে? এতে জঙ্গিবাদ বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। আর সেই ছাত্র যখন কোরআন ও হাদিসের আলোকে সত্যিকারের জিহাদ সর্ম্পকে জানবে তখন তাকে আর জঙ্গি বানাতে পারবে না। তাই সরকারকে বলব স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, জাতীয় ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কোরআনুল কারীম ও হাদিসের আলোকে জিহাদের পাঠ বাধ্যতামূলক করা হক। তবেই জঙ্গিবাদ দূর হবে এছাড়া আপনারা যতই বাড়াবাড়ি করেন কোন লাভ নাই।

কোরআনুল কারীম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

“যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ (আল-কোরআন) দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার চেয়ে জালেম আর কে? আমি জালেমদের কে শাস্তি দিব। (সূরা-সেজদাহ: ২২)

প্রথম যখন এ আয়াত শুনেছিলাম/পড়েছিলাম তখন ভাবতাম কোন মুসলমান এমন হতে পারে না, যা কে কোরআনের আয়াত দিয়ে বলার পরও নিজের হুজুর, দল, মত বাচাঁনোর জন্য মুখ ফিরিয়ে নিবে। কিন্তু বাস্তবে এখন দেখি, এমন মুসলমানের অভাব নাই। তাও আবার, দাড়ি, টুপি, পাঞ্জাবী, কোর্তা, জোব্বাওয়ালা, পরিপূর্ন পর্দাশীল মহিলা, পাঁচ ওয়াক্ত ও তাহাজ্জুদ পড়া নামাজি, কোরআনের হাফেজ/হাফেজা ইত্যাদি। আচ্ছা, এমন আমল দ্বারি ব্যক্তি কি কখনও মুসলমান হতে পারে?